পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি কি এবং এর সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ

পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি কি এবং এর সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ

পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির সদস্য সংখ্যা সর্বনিন্ম সাতজন এবং সর্ব্বোচ্চ সদস্য সংখ্যা স্মারকলিপিত বর্নিত শেয়ারের পরিমাণ দ্বারা সীমাবদ্ধ থাকে। কোম্পানির শেয়ারে অবাধে হস্তান্তর করা যায় ও জনগনের উদ্ধেশ্য ক্রয়- বিক্রয়ের আহবান জানানো যায়। কোম্পানি সংগঠনের উন্নতর সংস্করণই হলো পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি। অধিক সদস্য সংখ্যা থাকার সুবাদে এবং যে কোনো সময় জনগনের উদ্দ্যেশ্য শেয়ার ও ঝণপত্র বিক্র্যের আহ্বান জানানোর সুযোগ থাকায় এই সংগঠন অনেক বৃহদায়তন কোম্পানি হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

সুবিধা সমূহঃ

১। সদস্য সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে এবং শেয়ার বিক্রয়ের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহনের সুযোগ থাকায় সহজেই অধিক মূলধন সংগ্রহ করা যায়।

২। শেয়ার হোল্ডারদের দায় ক্রয়কৃত শেয়ারের অন্তিক মূল্য ( Face Value ) দ্বারা সীমাবদ্ধ থাকে।

৩। কোম্পানির পৃথক আইনসত্তা থাকায় কোনো শেয়ার মালিকের মৃত্যু, দেউলিয়াতব বা অন্য কোনো কারণে এর অস্থিতব বিলুপ্ত হয় না।

৪। যে কেউ ইচ্ছে করলে শেয়ারবাহার থেকে সহজেই এর শেয়ার ক্রয় ও প্রয়োজনে তা বিক্রয় করতে পারে।

৫। সহজভাবে পরিচালনা করা যায়। কারণ পরিচালকরা যোগ্যতার বিত্তিতে শেয়ার হোল্ডারদের দ্বারা নির্বাচিত হয়।

অদুবিধা সমূহঃ

১। কোম্পানির সংগঠন একটী আইন সৃষ্টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হওয়ার এর গঠন বেশ সময় সাপেক্ষ, আনুষ্ঠানিকপূর্ণ ও ব্যয়বহুল।

২। পরিচালকরা ক্ষমতার অধিকারী হওয়ার কারণে অনেক সময় তারা শেয়ার হোল্ডারদের সবার্থ না দেখে নিজেদের সবার্থ উদ্ধারের চেষ্টা চালান।

৩। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও স্বজনপ্রিতির সুযোগ পরিচালকরা স্বেচ্ছাচারিতার আশ্রয় গ্রহন করেন।

৪। এ ব্যবসায় বিভিন্ন সভা অনুষ্ঠান, আনুষ্ঠানাদি, পালন, দলিল ও খাতাপত্র সংরক্ষন, হিসাব নিরিক্ষা ইত্যাদি কাজে অনেক অর্থ ব্যয় হয়।


আরো পড়ুনঃ

 * একক মালিকানাধীন ব্যবসার সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ।

Post a Comment

Previous Post Next Post