প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি কি এবং এর সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ

প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি কি এবং এর সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ

যে শেয়ার দ্বারা দায় সীমাবদ্ধ কোম্পানির সর্বনিন্ম সদস্য সংখ্যা দুই এবং সর্বোচ্চ সদস্য সংখ্যা পঞ্চাশজনে সীমাবদ্ধ থাকে এবং জনসাধারণের উদ্দেশ্যে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ থাকে তাকে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বলে। সাধারণত ঘরোয়া পরিবেশে পরিচিতজনদের নিয়ে তুলনামূলকভাবে কম মূল্ধনের  সমন্বয়ে এ ব্যবসা গঠিত হয় । প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তর ও ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ থাকে। কোম্পানির শেয়ার বিক্রি অথবা হস্তান্তর করতে চাইলে তাকে বিদ্যমান শেয়ার হোল্ডারদের মধ্যেই ক্রয় করতে হবে। তবে তাদের সম্মতি সাপেক্ষ বাইরের কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে শেয়ার বিক্রি বা হস্তান্তর করা যাবে। এটি আইনসৃষ্ট কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তার অধিকারি চিরন্তর অসতীত্ববিশিষ্ট ব্যবসা সংগঠন। ফলে এই ব্যবসা সংগঠন অংশীদারি ব্যবসার অসুবিধা থেকে অনেকাংশেই মুক্ত।

সুবিধা সমূহঃ

১। প্রাইভেট মিনিটেড কোম্পানির গঠনে তুলনামূলকভাবে কম আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে হয় বিধায় এর গঠন অনেকটা সহজ
২। সর্বনিম্ন ২ জন পরিচালক সমন্ময়ে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি গঠন করা যায়।
৩। সদস্য সংখ্যা কম থাকায় ব্যবসায় পরিচালনা সহজ হয় । পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির ন্যায় প্রতিবছর পর্ষদ গঠনের প্রয়োজন পড়ে না।
৪। নিবন্ধনপত্র পাওয়ার পর এ কোম্পানির ব্যবসা শুরু  করতে পারে।
৫। ব্যবসা শুরুর জন্য ন্যূন্যতম মূলধন অপরিহার্য নয়।
৬। সহজে লগ্নিকারীরা অর্থলগ্নি করতে আগ্রহী হয়।

অসুবিধা সমূহঃ

১। ঘরোয়া পরিবেশে পরিচালকজনদের মধ্যে ব্যবসায় সংগঠনের ফলে দক্ষ ব্যবস্থাপনা গড়ে ওঠে না।

২। সহজে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় ও হস্তান্তর করা যায় না।

৩। সদস্য সংখ্যা কম হওয়ার কারণে মূলধনের পরিমাণ তুলনামূলিকভাবে কন হয়। ফলে প্রতিষ্ঠানও ছোট হয়।

আরো জানুনঃ

Post a Comment

Previous Post Next Post